মজার রান্না ডেস্ক: কাসুন্দি চেনেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। কারন এই জিনিষটি দিয়ে আম মাখা, তেতুল মাখা, জলপাই মাখা, পেয়ারা মাখা, আমড়া মাখা, চালতা মাখা তো সবারই কমবেশি টেস্ট করা হয়ে গিয়েছে। এখন ঢাকার রাস্তার পাশে ফেরিওয়ালারাও নানারকম টকফলের সঙ্গে কাসুন্দি দিয়ে মাখিয়ে থাকে। এই কাসুন্দি বাহিরে কিনতে পাওয়া গেলেও এটি তৈরির রেসিপি আমরা অনেকেই জানি না। তাদের জন্য এখন দেওয়া হচ্ছে কাসুন্দির রেসিপিটি। আশা করছি ভালোই লাগবে।

উপকরণ :

সাদা সরিষা ১/২ কাপ

লাল সরিষা ১/৪ কাপ

টুকরো করা কাঁচা আম ১ কাপ

কাঁচা মরিচ ৫-৭ টি

আদা কুচি ১ টেবিল চামচ

হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ

আজোয়াইন / জ়ৈণ ১ চিমটি (ঐচ্ছিক)

সরিষার তেল ১/৪ কাপ

ভিনেগার ১/৪ কাপ

লবন ও চিনি স্বাদ মতো

প্রণালী :

১। উপকরণে লাল-সাদা দুইরকম সরিষার কথা বলা আছে। আপনারা চেষ্টা করবেন দুইরকম সরিষাই ব্যবহার করতে। সাদা সরিষা ঝাঁজ কম এটা নিতে হবে কাসুন্দির সুন্দর কালারের জন্য আর লাল সরিষা ঝাঁজ এর জন্য। আপনারা চাইলে দুইটা সমান সমান করেও নিতে পারেন।২। সরিষা পেস্ট করার আগে কিছুক্ষন পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালোমতো ধুয়ে নিন। তারপর লবন ও কাঁচামরিচ দিয়ে বেটে নিন। লবন ও কাঁচা মরিচ দিয়ে বাটলে বাটার পর সরিষা তেতো হয়ে যায় না। ব্লেন্ডারে সরিষা, কাঁচামরিচ, লবন, চিনি, আম ও আদা কুচি দিয়ে একসাথে ১/২ কাপ পানি দিয়ে পেস্ট করেও নিতে পারেন।৩। এবার একটা প্যানে অল্প আঁচে তেল দিয়ে গরম করে নিন। চাইলে এক চিমটি আজোয়াইন দিয়ে ফোড়ন দিতে পারেন। না দিলেও কোনো সমস্যা নেই। তেলের মধ্যে হলুদ গুঁড়া দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে দিয়ে সরিষার মিশ্রণ ঢেলে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে দিন। তারপর এতে ভিনেগার দিন। ভিনেগার দিতে হবে সংরক্ষণ করতে চাইলে নাহলে বাদ দিতে পারেন। ভিনেগার দিলে এই কাসুন্দি অনেকদিন পর্যন্ত ঘরে রেখে খেতে পারবেন।৪। এবার এই মিশ্রণটিকে অল্প আঁচে ৩ থেকে ৫ মিনিট নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। নামানোর আগে চেক করে নিবেন যদি লবন চিনি কিছু লাগে তো অ্যাড করে নিবেন।ঠান্ডা হলে একটা কাঁচের বয়ামে ঢেলে রাখুন।তারপর প্রয়োজনমতো বিভিন্ন ফলের সাথে মেখে পরিবেশন করুন।