মজার রান্না ডেস্ক: আপনাদের জন্য এখন দেওয়া হচ্ছে আরো একটি রেসিপিগুচ্ছ। এটি হলো পোলাও এর রেসিপিগুচ্ছ। এটি হলো পোলাও এর রেসিপিগুচ্ছ। দাওয়াত কিংবা অনুষ্ঠান-অতিথি আপ্যায়নে পোলাও থাকবে, এটা মোটামুটি ধরে নেওয়া যায়। তাহলে দেখে নিন ১৫টি পোলাও এর রেসিপি।

কাশ্মীরি পোলাও–উপকরণ:পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, ঘি আধা কাপ,নারকেল দুধ ১ কাপ, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, নাট পেস্ট ১ টেবিল চামচ, লেমন রাইন্ড ১ চা-চামচ, আপেল, আঙুর, চেরি, কিশমিশ ও গাজর ২-৩ কাপ, ক্যাশোনাট ২ টেবিল চামচ,এলাচি ও দারুচিনি ৪-৫ পিস, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, চিনি ১ চা-চামচ পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ।

প্রণালি:· চাল ধুয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে।· পাত্রে ঘি দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, গরমমসলা, আদা-রসুন পেস্ট দিয়ে একটু নেড়ে চালের দেড় গুণ অর্থাৎ ২ কাপ পানি ও ১ কাপ নারকেলের দুধ মিশিয়ে দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ফুটে উঠলে গুঁড়া দুধ, নাট পেস্ট ও ভেজানো চাল দিতে হবে।· চাল ও পানি সমান হলে অর্ধেক কিউব কাটফ্রুটস দিয়ে ১০ মিনিটের জন্য দমে বসাতে হবে।· ১০ মিনিট পর বাকি ফল, ক্যাসোনাট ও বেরেস্তা চিনি দিয়ে ভেঙে পোলাওয়ের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। লেমন রাইন্ড দিয়ে পাঁচ মিনিট পর গরম-গরম পরিবেশন।

চিড়ার পোলাও–উপকরণ:চিড়া ২ কাপ, আলু কিউব করে কাটা ১ কাপ, গাজর গ্রেট করা আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ফালি ৭-৮টা, বিটলবণ আধা চাচামচ, সাদা জিরা আধা চা-চামচ, কালিজিরা আধা চা-চামচ, ডিম সেদ্ধ ৩টা, পেঁয়াজ বড় কিউব ১ কাপ, সয়াবিন তেল সিকি কাপ, মারজারিন ২ টেবিল চামচ,
ঢ্যাঁড়স ২৫০ গ্রাম, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ আলু চিকন কুচি ১ কাপ।

প্রণালি:· চিড়া ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।· আলুর কিউব সামান্য লবণ দিয়ে আধা সেদ্ধ করে নিতে হবে।· আলুর চিকন কুচি ও ঢ্যাঁড়স আধা ইঞ্চি পুরো করে কেটে ডুবো তেলে মচমচে করে ভেজে ব্লটিং পেপারে ছড়িয়ে অল্প বিটলবণ দিতে হবে।· পাত্রে তেল গরম করে সাদা ও কালিজিরার ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ দিতে হবে। পেঁয়াজ যখন ভাজা ভাজা হবে, তখন ডিম ভেঙে দিয়ে নাড়তে হবে। ডিম জমে যখন ছানা ছানা হবে, তখন আলু সেদ্ধ, চিনি, গোলমরিচের গুঁড়া, চিড়া, প্রয়োজনমতো বিটলবণ ও লবণ দিয়ে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে পাঁচ মিনিটের জন্য তাওয়ার ওপর দমে বসাতে হবে।· পাঁচ মিনিট পর মারজারিন গলিয়ে চিড়ার পোলাওয়ে বাগাড়ের মতো করে ঢেলে দিতে হবে। ভালোভাবে মিশিয়ে গরম-গরম আলু ও ঢ্যাঁড়স ভাজা দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

ইয়াখনিওয়ালা পোলাও–উপকরণ ১:খাসির মাংস দেড় কেজি, গোটা রসুন ৯ থেকে ১০টা, গোটা আদা ২-৩ টুকরা, লবণ ১ চা-চামচ, গোটা মৌরি আধা চা-চামচ, গোটা ধনিয়া ১ চা-চামচ, সাদা জিরা ১ চা-চামচ শাহি জিরা আধা চা-চামচ।উপকরণ ২: পোলাওয়ের চাল, ৪ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, টকদই ২ টেবিল চামচ, ছোট এলাচি ৪টা, কাঁচা মরিচ ৫-৬টা, ঘি বা তেল ১ কাপ, কেওড়া জল ২ টেবিল চামচ কিশমিশ আধা কাপ।

প্রণালি:১০ থেকে ১২ কাপ পানির সঙ্গে ১ নং উপকরণের সব আস্ত মসলা ও মাংস সেদ্ধ করতে হবে। যখন মাংস আধা সেদ্ধ হবে, তখন ছেঁকে পানি আলাদা ও মাংস আলাদা করে নিতে হবে। ২ নং উপকরণের চাল ১০ মিনিট ভিজিয়ে ছেঁকে রাখতে হবে।· একটি ডিপ সসপ্যানে তেল-ঘি দিয়ে বেরেস্তা করে নিতে হবে। বেরেস্তা অর্ধেক তুলে রেখে ওই পাত্রে টকদই, এলাচি ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে তার মধ্যে সেদ্ধ মাংস নিয়ে ভুনতে হবে। ৪ থেকে ৫ মিনিট ভুনার পর তৈরি হওয়া ফনি (চালের দেড় গুণ) ঢেলে দিতে হবে।· যখন ফুটে উঠবে, তখন ঝরানো চাল লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ঢেকে দিতে হবে।· পানি চালের সমান হলে কেওড়া জল দিয়ে তাওয়ার ওপর ১০ মিনিটের জন্য দমে বসাতে হবে। ১০ মিনিট পর কিশমিশ ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ চা-চামচ চিনি দিয়ে গুঁড়া করে স্তরে স্তরে ছড়িয়ে দিয়ে ওপরে ঘি দিয়ে আবার ১০ মিনিটের জন্য দমে বসাতে হবে। এরপর সালাদ দিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করতে হবে।

ছানার পোলাও–উপকরণ:বাসমতী চাল ২ কাপ, ছানা (বল ও লেয়ারের জন্য) ২ কাপ, কিশমিশ সিকি কাপ, পেস্তা বাদাম কুচি ২ টেবিল চামচ, কাঠবাদাম কুচি ২ টেবিল চামচ, ক্যাশোনাট ২ টেবিল চামচ, ময়দা ২-৩ চা-চামচ, ঘি আধা কাপ, গরমমসলা ১ চা-চামচ, নারকেল কোরানো আধা কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, মাওয়া ২ টেবিল চামচ, দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচি ২ টি, আদা কুচি ২ টেবিল চামচ লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি:· বাসমতী চাল ২০ মিনিট ভিজিয়ে পানি ঝরাতে হবে।· এবার বড় পাত্রে পানি গরম করে দারুচিনি ও এলাচি দিয়ে ভেজানো চাল ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। চাল শক্ত থাকতে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে দিন।· এরপর ছানা ভালো করে চটকে লবণ, চিনি, অল্প গরমমসলা ও পরিমাণমতো ময়দা দিয়ে মেখে ছোট ছোট বলের মতো করে ডুবো তেলে ভেজে তুলুন।· আর অল্প অল্প ঘিতে পেস্তা বাদাম, কাঠবাদাম, ক্যাসোনাট, আদা কুচি, কিশমিশ ও নারকেল কোরানো ভেজে নিতে হবে।· বেরেস্তা, চিনি ও মাওয়া একসঙ্গে মিলিয়ে রাখুন।· এবার যে পাত্রে পোলাও দমে বসানো হবে, সে পাত্রে প্রথমে অল্প ঘি ছড়িয়ে দিতে হবে। তারপর একে একে কিছু সেদ্ধ চাল, বাদামের মিশ্রণ, নারকেল ভাজা, বেরেস্তার মিশ্রণ, ছানা ও ছানার বল লেয়ারে সাজিয়ে ওপরে ঘি ছড়িয়ে দিন। ১৫ মিনিটের জন্য মৃদু আঁচে দমে বসিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

নারকেলের দুধে চিংড়ির মোতি পোলাও–উপকরণ:পোলাও:পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, দারুচিনি ২ টুকরা, তেজপাতা ২টি, চিনি ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, ঘি সিকি কাপ, নারকেলের দুধ (ঘন) ১ কাপ, পানি ২ কাপ, আদা কুচি ১ চা-চামচ, রসুন কুচি আধা চা-চামচ ও কাঁচা মরিচ ৬ থেকে ৭টা।চিংড়ি মোতির জন্য:ছোট চিংড়ি খোসা ছড়ানো ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, পেঁয়াজ চপ করা ১ টেবিল চামচ, ডিম অর্ধেকটা, ময়দা ২ টেবিল চামচ, লবণ সিকি চা-চামচ, ধনে পাতা ১ টেবিল চামচ, তেল ভাজার জন্য প্রয়োজনমতো, টোস্টের গুঁড়া প্রয়োজনমতো।চিংড়ি রান্নার জন্য:চিংড়ি খোসা ও মাথা বাদে লেজসহ ১ কাপ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, তেল আধা কাপ, চিনি আধা চা-চামচ, নারকেলবাটা সিকি কাপ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি:· চিংড়িগুলোর পানি ঝরিয়ে চটকিয়ে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মাখাতে হবে। এবার টোস্টের গুঁড়া হাতে নিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে ডিপ ফ্রাই করতে হবে।· এবার চিংড়ি রান্নার জন্য তেল গরম করে সব বাটা মসলা ও নারকেল দিয়ে একটু কষিয়ে চিংড়ি, নারকেলের দুধ ও বাকি উপকরণ দিয়ে ভুনা ভুনা করে নামাতে হবে।· চাল ভিজিয়ে ছেকে রাখতে হবে। পোলাওয়ের জন্য হাঁড়িতে ঘি গরম করে কিশমিশ ভেজে তুলে রাখতে হবে। এবার ওই তেলে চপ করা আদা, রসুন ও পেঁয়াজ দিয়ে যখন হালকা রং ধরবে, তখন ঝরানো চাল দিয়ে সামান্য ভেজে নারকেলের দুধ, পানি ও লবণ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিতে হবে। চাল ও পানি সমান হলে রান্না চিংড়িগুলো দিয়ে তাওয়ার ওপর দমে বসাতে হবে। পাঁচ মিনিট পর চিংড়ির মোতি, বেরেস্তা, কিশমিশ ও চিনি একসঙ্গে পোলাওয়ের ভাঁজে ভাঁজে মিশিয়ে ১০ মিনিট তাওয়ার ওপর দমে রাখতে হবে। কয়েকটি চিংড়ির মোতি তবক দিয়ে মুড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন।

ইলিশ ভাপে মুগ পোলাও–উপকরণ : পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা–চামচ, মুগ ডাল ১ কাপ, বেরেস্তা ১ কাপ, তেল আধা কাপ, সরিষাবাটা ২ টেবিল চামচ, জিরা ১ চা–চামচ, ইলিশ মাছ ৬ টুকরা, চা–চামচ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাচা মরিচ ৮–১০টা, এলাচি–দারুচিনি ৪টি করে।প্রণালি :ইলিশ মাছের টুকরাগুলো বেরেস্তা, হলুদ গুঁড়া, সরিষাবাটা, সরিষার তেল, কাঁচা মরিচ ও লবণ দিয়ে একসঙ্গে মাখিয়ে একটি টিফিনবাটিতে ঢাকনা দিয়ে রাখতে হবে। চাল ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। অন্য হাঁড়িতে তেল দিয়ে জিরা ও সরিষার ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ ও তেজপাতা দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি হলে পানি দিতে হবে। পানির পরিমাণ হবে চাল ও ডালের দেড় গুণ। এবার লবণ ও কঁাচা মরিচ দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজানো চাল দিতে হবে। পানি সমান হলে মাঝখানে ফাঁকা করে মাছের বাটি বসিয়ে দমে বসাতে হবে ২০ মিনিট। এবার চুলা বন্ধ করে আরও ১০ মিনিট পর হাঁড়ি খুলে মাছ বের করতে হবে। এবার মাছ ও পোলাও সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

শাহি জাফরানি পোলাও–উপকরণ :১. পোলাও চাল ১ কেজি,২. তেল আধা কাপ,৩. ঘি আধা কাপ,৪. আদা কুচি ১ টেবিল চামচ,৫. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,৬. আস্ত এলাচি ৪-৫টি,৭. দারুচিনি ২-৩টি স্টিক,৮. কাজু ও পেস্তা বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ,৯. নারকেল দুধ ১ কাপ,১০. কিশমিশ (ঘিয়ে ভাজা) ২ টেবিল চামচ,১১. জাফরান (দুধে ভেজানো) সিকি চা-চামচ,১২. শাহি জিরা (আস্ত) ১ চা-চামচ,১৩. গরম পানি ৫/৬ কাপ,১৪. দুধ ১ কাপ,১৫. লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি :> চাল ধুয়ে ঝাঁঝরিতে পানি ঝরিয়ে রাখুন। হাঁড়িতে তেল গরম করে শাহি জিরা ও এলাচি দারুচিনি দিন। আদা কুচি দিয়ে একটু ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে চাল দিয়ে ভাজুন। আদা বাটা ও লবণ দিন ও একটু ভেজে গরম পানি দিয়ে দিন। বাদাম বাটা একটু পানি দিয়ে নরম মিশ্রণ করে চালে দিয়ে দিন। চাল অর্ধেক ফুটে এলে নারকেল দুধ ও ঘন তরল দুধ দিয়ে ঢেকে দিন। পোলাও হয়ে এলে জাফরান ও কিশমিশ দিয়ে দমে রাখুন ১০ মিনিট। নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

জাফরান পোলাও–উপকরণ:পোলাওর চাল ৪ কাপ,ঘি ১/২ কাপ,পিঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ,দারচিনি টুকরা,এলাচ ৪ টি,লবঙ্গ ২ টি,আদা বাটা ২ চা চামচ,জয়েত্রি গুঁড়া হাফ চা চামচ,কেওড়া ১ টেবিল চামচ,জাফরান ৪ চা চামচ (কেওড়া/পানিতে ভিজিয়ে রাখা),গুঁড়া দুধ ১ টেবিল চামচ,ফুটানো গরম পানি ৭ কাপ,লবণ স্বাদমতো,কাঁচামরিচ কয়েকটা,

প্রণালী:প্রথমে প্যানে ঘি দিয়ে দারচিনি টুকরা, এলাচ, লবঙ্গ দিয়ে ভেজে নিন। এখন এতে পিঁয়াজ কুচি দিয়ে হাল্কা লাল করে ভাজুন। আদা বাটা দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে চাল দিয়ে চুলার আঁচটা মিডিয়াম রাখুন। ৪ থেকে ৫ মিনিট নাড়াচাড়া করে রান্না করে এতে জয়েত্রি গুঁড়া আর কেওড়া দিন। এবার এতে ফুটানো পানি ৭ কাপ দিন সাথে দিন গুঁড়া দুধ আর স্বাদমতো লবণ, উপরে কয়েকটা কাঁচামরিচ দিয়ে দিন।৫ মিনিট এভাবে রান্না করুন। এখন চুলার আঁচ একদম কমিয়ে দিয়ে ঢাকনা লাগিয়ে দিন। এভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দেখবেন পানি শুকিয়ে এসছে। এবার কেওড়া পানিতে ভিজিয়ে রাখা জাফরান এই পোলাও এর উপরে ছিটিয়ে দিন। ঢাকনা লাগিয়ে দিয়ে দমে রাখতে পারেন ৫ মিনিট। তারপর নামিয়ে পরিবেশনের সময় পিঁয়াজ বেরেস্তা, স্লাইস করা ডিম, ছোট ছোট কোফতা দিয়ে সাজিয়ে দিন।

কাবুলি ঝাল পোলাও—উপকরণ :১. পোলাওয়ের চাল ২ কাপ,২. কাবুলি ডাল ১ কাপ,৩. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ,৪. আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল-চামচ করে,৫. মরিচ গুড়া ১ টেবিল-চামচ,৬. হলুদ গুড়া ১ চা-চামচ,৭. জিরা গুড়া আধা চা-চামচ,৮. লবন স্বাদ মত,৯. ৩ টি এলাচ,১০. ১ টুকরা দারচিনি,১১. দুইটি তেজপাতা,১২. ৫ কাপ গরম পানি,১৩. ৪-৫ টি ফালি করা কাঁচামরিচ১৪. ১ টেবিল চামচ ঘি,১৫. তেল ১/৩ কাপ,

প্রণালি :> ডাল ৭-৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। এবার একটু আদা বাটা, লবন ও তেল দিয়ে বেশি পানিতে ভালো মত সিদ্ধ করুন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, ডাল যেন পুরোপুরি গলে না যায়।> এবার পেঁয়াজ সামান্য তেলে লাল করে ভেজে নিন। গরম মসলা, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে একটু ভাজুন।> ডালের পানি ঝরিয়ে ফেলে দিন। এবার ভাজা পেঁয়াজে ডাল দিয়ে দিন। ঘি এবং কাঁচামরিচ বাদে সব মশলা দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কষান। পানি শুকিয়ে গেলে আগে থেকে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন এবং ডালের সঙ্গে অল্প সময় ভাজুন। এবার গরম পানি ঢেলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন ও অল্প আঁচে রান্না করুন। লবন হয়েছে কিনা চেখে দেখুন। লাগলে আরও একটু লবন দিয়ে দিতে পারেন।> চাল যখন প্রায় সিদ্ধ হয়ে আসবে তখন কাঁচামরিচ ও ঘি দিয়ে মিশিয়ে দিন। ভালভাবে ঢেকে, ভালভাবে সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত দম এ রাখুন। হয়ে গেলে পেঁয়াজ এর বেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন ।

কবুতরের পোলাও–উপকরণ :পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, কবুতর ৬টি, ঘি আধা কাপ, তেল ১ কাপ, আদা বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, পোস্তদানা বাটা ২ টেবিল চামচ,বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ, টক দই আধা কাপ, মিষ্টি দই সিকি কাপ, দুধ ১ কাপ, পেঁয়াজ বাটা সিকি কাপ,
পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া আধা চা-চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, মাওয়া গুঁড়া সিকি কাপ, দারুচিনি ৮ টুকরা, এলাচ ৮টি, লবঙ্গ ৬টি, তেজপাতা ২টি, জাফরান আধা চা-চামচ, গোলাপজল ২ টেবিল চামচ, পেস্তাবাদাম কুচি ২ টেবিল চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ,কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, আলুবোখারা ৮-১০টি।

প্রণালি :চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। ২ টেবিল চামচ দুধ ও গোলাপজলে জাফরান ভিজিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি কবুতরের চামড়া ছাড়িয়ে ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। ঘি, তেল একসঙ্গে গরম করে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে আদা, রসুন, পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ভুনে কবুতরের মাংস দিয়ে কষাতে হবে। এতে লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়া দিতে হবে। ১০ মিনিট পর টক-মিষ্টি দই, পোস্তদানা বাটা, ১ টেবিল চামচ বাদাম বাটা, অর্ধেক গরম মসলা, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া ও আলুবোখারা দিতে হবে। মাংস ভালো করে ভুনে অল্প পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। মাংস তেলের ওপর উঠলে মাংস উঠিয়ে রেখে সেই হাঁড়িতে ৩ কাপ গরম পানি দিয়ে চাল দিতে হবে। এবার বাকি গরম মসলা ও লবণ দিতে হবে। ফুটে উঠলে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস দিতে হবে। চালের পানি কমে গেলে দুধের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ বাদাম বাটা গুলিয়ে দিয়ে ১০ মিনিট দমে রাখতে হবে। কিছু মাওয়া গুঁড়া পোলাওয়ে দিতে হবে। এবার পোলাওয়ের হাঁড়ি থেকে কিছুটা পোলাও উঠিয়ে নিয়ে মাংস বিছিয়ে দিয়ে তার ওপর কিছু মাওয়া, গরম মসলার গুঁড়া, মিশ্রিত জাফরান দিতে হবে। এবার বাকি পোলাও দিয়ে কাঁচা মরিচ, মাওয়া, গরম মসলার গুঁড়া, জাফরান দিয়ে হাঁড়ির ঢাকনা ভালো করে বন্ধ করে ঢাকনার ওপর গরম পানির হাঁড়ি বসিয়ে মৃদু জ্বালে ১৫-২০ মিনিট রাখতে হবে। নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

কালারফুল গার্ডেন মিল্কি পোলাও–উপকরণ :পোলাওয়ের চাল ২ কাপ,ঘি বা তেল চার ভাগের এক কাপ,সেদ্ধ মটরশুটি ১/২ কাপ,পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ,আদা বাটা ১/২ চা চামচ,দারুচিনি, এলাচি, লং, তেজপাতা ২টি করে,দুধ ১ ১/২ কাপ,নারকেল দুধ আধা কাপ,পেস্তা-আমন্ড-কাজু বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ,গরম পানি ২ ১/২ কাপ,কাঁচামরিচ ৩/৪ টি,কিসমিস ৮/১০টি,লবণ প্রয়োজনমতো,সাজানোর জন্য বেরেস্তা, কোয়েল পাখির সিদ্ধ ডিম, টমেটোকুঁচি,

প্রণালি:পোলাওয়ের চাল ২০ মিনিট ভিজিয়ে ছেঁকে রাখতে হবে। ননস্টিক প্যানে গরম ঘিয়ে পেঁয়াজ ভেজে তাতে দুধ, বাদাম, পানি, কাঁচা মরিচ, মটরশুটি, লবন ছাড়া চালসহ সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে ভাজা ভাজা করে এবার দধু, নারকেল দুধ, বাদাম বাটা, লবন ও গরম পানি দিয়ে ভালো করে নেড়ে বলক আসার পর ঢেকে দিতে হবে, যখন চাল প্রায় সিদ্ধ হয়ে সব পানি শুকিয়ে যাবে তথন মটরশুটি,কিসমিস দিয়ে নেড়ে ওপরে কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে খুব কম আঁচে দশ মিনিট দমে বসিয়ে রেখে নামিয়ে নিন।এর পর নামিয়ে সার্ভিং ডিসে ঢেলে বেরেস্তা, কোয়েল পাখির সিদ্ধ ডিম, টমেটোকুঁচি দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন হানি লেমন চিকেন ফ্রাই ও আপনার সোনামনির পছন্দমত সবজির সাথে এবার দেখুন সোনামনি কতো ইনজয় করবে এই পোলাও ।

ইলিশ পোলাও–উপকরনঃইলিশ মাছ -৬-৭ টুকরো,বাসমতি চাল- ২ কাপ,পেঁয়াজ কুচি– ১ কাপ,পেঁয়াজ বাটা- ১ টেবিল চামচ,আদা বাটা- ১ চা চামচ,শুকনো/লাল মরিচের গুঁড়া- ১ চা চামচ,জিরার গুঁড়া- ১/২ চা চামচ,এলাচ- ৫-৬টি,তেজপাতা- ৩ টি,দারুচিনি- ৩ টুকরা,আস্ত কাঁচা মরিচ- ৫-৬ টি,মটরশুটি- ১/২ কাপ,টক দই- ২ টেবিল চামচ,লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ,তেল- ১/২ কাপ,ঘি- ১ টেবিল চামচ,লবন- ২ চা চামচ অথবা স্বাধমত।

প্রনালীঃইলিশ মাছ কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। মাছে পেঁয়াজ বাটা, লাল মরিচের গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, আদা বাটা, টক দই,লেবুর রস আর ১চা-চামচ লবন দিয়ে ভাল করে মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন।এবার চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।একটি গভীর পাত্রে তেল গরম দিন। তেল গরম হয়ে গেলে এলাচ, তেজপাতা আর দারচিনি দিয়ে একটু ভেজে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করুন। পেঁয়াজ হাল্কা বাদামি হয়ে গেলে মাখানো মাছগুলা দিন এবং হাল্কা মাঝারি আঁচে ১০মিনিট রান্না করুন(৫ মিনিট পর সাবধানে মাছ উলটে দিতে পারেন।)।এরপর পাত্র থেকে শুধু মাছের টুকরোগুলো একটি প্লেটে উঠিয়ে নিন। এবার মসলাতে মটরশুঁটি দিয়ে কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করে চাল আর ১ চা চামচ লবন দিন এবং ২-৩মিনিট মত ভাজুন। মাছের মিস্রনটি যে বাটিতে ছিল তাতে ৪ কাপ গরম পানি নিন। এই বাটি ধোয়া পানি চালে মিশিয়ে ঢেকে দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। ভাত পুরাপুরি হওয়ার আগেই (প্রায় ৯০ভাগ হলে) নামিয়ে নিন।এবার ২/৩ অংশ ভাত আলাদা একটি পাত্রে সরিয়ে নিন। তারপর ভাতের উপর মাছগুলো এক স্স্তরে সাজিয়ে দিন, কাঁচা মরিচ দিন এবং উপরে বাকি ভাতগুলা দিয়ে দিন। উপরে ঘি ছড়িয়ে দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিন এবং অল্প আঁচে ২০ মিনিট মত রাখুন।সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

মতি পোলাও–উপকরণ:মতি তৈরির জন্য :গ্রুপ- কমাংসের কিমা আধা কেজিআদা, রসুন টুকরা করা দেড় টেবিল চামচ,আস্ত জিরা ১/২ চা চামচ,এলাচ ৪ টি,দারুচিনি বড় ১টি,শুকনা মরিচ ৪/৫টি,লবণ স্বাদমতো,গ্রুপ – খ-ডিম ১টা,বেরেস্তা ১/৪ কাপ,ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা কুচি আধা কাপ,পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ আধা কাপ,তেল ভাজার জন্যমতি পোলাও তৈরির জন্য :পোলাওয়ের চাল ২ কাপ,ঘি বা তেল হাফ কাপ,পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ,আদা বাটা-রসুন বাটা ২ চা চামচ,দারুচিনি, এলাচি, লং, তেজপাতা ২টি করে,দুধ ১/২ কাপ,গরম পানি ২ ১/২ কাপ বা পরিমান মত,কাঁচামরিচ ৩/৪ টি,
কিসমিস ৮/১০টি,

প্রণালি :মতি তৈরি :ক – গ্রুপের সব কিছু ও পরিমাণ মতো পানি দিয়ে ভালো করে সেদ্ধ করে শুকনা শুকনা করে নামান এবার সিদ্ধ কিমা বেটে বা ব্লেন্ড করে, গ্রুপ খ-য়ের সকল উপকরণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে গোল গোল ছোট বল করে গরম ডুবো তেলে ভেজে তুলুন লাল করে।মতি পোলাও তৈরি:
পোলাওয়ের চাল ১০ মিনিট ভিজিয়ে ছেঁকে রাখতে হবে। ননস্টিক প্যানে গরম ঘিয়ে পেঁয়াজ ভেজে তাতে দুধ, পানি, কাঁচা মরিচ, কিসমিস ও লবন ছাড়া চালসহ সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে ভাজা ভাজা করে এবার দধু, লবন ও গরম পানি দিয়ে ভালো করে নেড়ে বলক আসার পর ঢেকে দিতে হবে, যখন চাল প্রায় সিদ্ধ হয়ে সব পানি শুকিয়ে যাবে তথন ভেজে রাখা মতি ও কিসমিস দিয়ে আলতো করে নেড়ে ওপরে কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে খুব কম আঁচে দশ/পনের মিনিট দমে বসিয়ে রেখে নামিয়ে নিন। কিছু মতি উপরে ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

সবজি পোলাও–উপকরণ:পোলাওয়ের চাল (বাসমতী হলেই ভালো হয়) ৫০০ গ্রাম , ফুলকপি এক কাপ, ব্রকলি আধা কাপ , গাজর (কিউব করে কাটা)আধা কাপ, আলু (কিউব করে কাটা) আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ , সবজির স্টক সাড়ে তিন কাপ , আদা বাটা ১ টেবিল-চামচ , রসুন বাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল-চামচ , জিরা বাটা ১ চা-চামচ পোস্তদানা বাটা ১ টেবিল-চামচ , লবণ (পরিমাণমতো), লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ , চিনি ১ চা-চামচ , দুধ আধা কাপ , কাঁচামরিচ ১০-১২টি , তেল আধা কাপ , লবঙ্গ, ৪টি দারচিনি, তেজপাতা ২টি এলাচ, ঘি ৩ টেবিল-চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী :প্রথমে ফুটন্ত পানিতে লবণ দিয়ে সকল সবজি আলাদাভাবে আধা সেদ্ধ করে নিতে হয়। এরপর চাল ধুয়ে নিয়ে পানি ঝরাতে দিয়ে একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে গরম মসলা ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে অন্য সকল বাটা মসলা কষিয়ে সবজির স্টক দিতে হয়। পানি ফুটে উঠলে লেবুর রস ও চাল দিতে হয়। পানি শুকিয়ে এলে দুধ, চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে ৫-৭ মিনিট অল্প আঁচে রাখতে হয়। সবশেষে সকল সবজি দিয়ে, সবজির ওপর ঘি দিয়ে ২০-২৫ মিনিট দমে রাখতে হয়। সবজি পোলাও ভাজা, কাবাব ও ভুনা মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

সাদা পোলাও–উপকরন:পোলাও রান্নার উপকরন গুলোঃপোলাও এর চাল- ১ কেজি (চিকন),আদা বাটা- ২ চা চামুচ,রসুন বাটা- ২ চা চামুচ,
সাদা ফল- ৫-৭টি,দারচিনি ৩-৪টি (মাঝারি),লং-৩-৪টি,তেজপাতা ২-৩টি,গোলমরিচ-২-৩টি,তেল- ১কাপ,,ঘি-২ টেবিল চামুচ,পিয়াজ কুচি- ৬-৭টির (বড়, বেরেস্তার জন্য),কিসমিস- পরিমান মত,লবন স্বাদ মত,চিনি- ১ টেবিল চামুচ,আস্ত কাঁচা মরিচ ৫-৭টি,

প্রস্তুত প্রণালীঃপ্রথমে পরিমাপ কৃত পোলাও এর চাল পানি দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে একটি ছাঁকনি চালায় রেখে দিন যাতে চালের বাড়তি পানি ভালভাবে ঝরে যায়।এরপর একটি প্যানে বা কড়াই এ পরিমান মত তেল দিন। তেল গরম হইলে তাতে পিয়াজ কুচি দিন। অল্প আচেঁ ধীরে ধীরে ভাঁজতে খাকুন। হালকা বাদামী রঙ হইলে সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে ফেলুন। কারন বেশি কড়া করে ভাজলে বেরেস্তা কালো হয়ে যাবে, সাথে পোলাও এর রঙ কালচে হবে।তারপর তেল থেকে ছেঁকে বেরেস্তা তুলে রেখে, পুনরায় তেলে ধুয়ে ছেঁকে রাখা চালগুলো দিন। এরপর এক এক করে আদা বাদা, রসুন বাটা, সাদাফল, লং, দারচিনি, তেজপাতা, ও গোলমরিচ দিন এবং ঘন ঘন নাড়তে থাকুন যাতে নিচে চাল লেগে\পুড়ে না যায়। এভাবে ৭-৯ মিনিট চাল ভাঁজতে থাকুন।এরপর চালের পরিমাপের ডাবল, আলাদা ভাবে ফুটানো গরম পানি,(যেমন আমি নিয়েছি ৪ কেজি চাল, তাই পানি লাগবে ৮ কেজি আবার চাল যদি ১ কেজি নিতাম তাহলে পানি লাগতো ২ কেজি) কড়াই এ দিন। তাতে স্বাদমত লবন ও কাঁচা মরিচ দিন, সাথে ঘি দিন। যদিও চুলোয় একটু পানি বেশি লাগে। পানি দেওয়ার পর ঢেকে দিন। পানি কমে আসবে আঁচ কমিয়ে দিন এবং হালকা নেড়ে দিন। কিছুক্ষণ পর চুলো থেকে নামিয়ে দিন। আপনি চাইলে রাইসকুকারেও সাদা পোলাও রান্না করতে পারেন।আমি রাইস কুকারে করেছি। সেক্ষেত্রে প্রথমে রাইসকুকার পরিমান মত পানি দিয়ে গরম করে নিন।এরপর তাতে ভাজাঁ চালগুলো দিন। পরিমান মত লবন, ঘি ও কাচাঁ মরিচ দিন। তারপর রাইসকুকারের ঢাকনা দিন। পানি কমে গেলে সুইচ বন্ধ করে দিন এবং সামান্য নেড়ে দেন। তৈরি হয়ে যাবে আপনার সাদা পোলাও।