মজার রান্না ডেস্ক: বাসা বদলানোর সবচেয়ে বিরক্তিকর অংশটি হলো জিনিসপত্র গোছানো। বিশেষ করে রান্নাঘরের হাজারো টুকিটাকি গুছাতে গিয়ে অনেকেরই মাথা গরম হয়ে যায়। কিন্তু কিছু কৌশলে এ কাজটি করলে অনেক শ্রম কমে যাবে। প্যাকিং করার আগে জরুরী একটি কাজ হলো, অদরকারী জিনিস বাদ দেওয়া। এতে বোঝা যেমন কমে তেমনি প্যাকিং করতে সময়ও লাগে কম। জেনে নিন রান্নাঘর থেকে কী কী জিনিস বাদ দেওয়া উচিত নতুন বাসায় ওঠার সময়ে-

১) ভাঙা কাঁচের গ্লাস

কাঁচের গ্লাস বা মগের কানা ভেঙে গেলে, চিড় ধরলেও অনেকে তা রেখে দেন। বাসা বদলানোর সময়ে এসব গ্লাস সাথে নেওয়ার কোনো মানেই হয় না। তা প্যাক করে নতুন বাসায় নিতে নিতেই ভেঙে যাবে।

২) পুরনো মশলা

কিছু মশলা কম ব্যবহার হয়, যেমন জাফরান, জায়ফল গুঁড়ো, রাঁধুনি ইত্যাদি। অনেকে এগুলো বছরের পর বছর রেখে দেন। কিন্তু এতদিন পর মশলার স্বাদ-গন্ধ কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। বরং তাতে বাসা বাঁধে জীবাণু। এই জীবাণু বয়ে নিয়ে যাওয়ার চেয়ে ফেলে দেওয়া ভালো।

৩) বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানের গ্লাস ও মগ

পিকনিকে পাওয়া কোম্পানির লোগো বসানো মগ, বা স্কুলের লোগো লাগানো বছর দশেকের পুরনো প্লেট- এগুলো কোনো কাজেই লাগে না। পুরনো হয়ে যাওয়াতে সাজিয়ে রাখাও সম্ভব হয় না। বাসা বদলানোর সময়ে এগুলো সাথে না নেওয়াই উচিত।

৪) রান্নাঘরের ময়লা টাওয়েল বা ন্যাকড়া

কিছু কিছু তোয়ালে দিয়ে কাঁচের জিনিস মুড়ে নেওয়া যায়। কিন্তু তোয়ালে একটা সময়ে এতই ময়লা হয়ে যায় যে তার আসল রঙ কী ছিল বোঝা যায় না। এমন অবস্থা হয়ে থাকলে সেই তোয়ালে অবশ্যই সাথে নেবেন না।

৫) আনকোরা নতুন জিনিস

খুব শখ করে একটা ভেজিটেবল কাটার বা ফ্রাইপ্যান কিনেছেন অনেকদিন আগে, অথচ তা ব্যবহার হয়নি, দরকার পড়েনি এবং এখনো তা বক্স থেকে বেরই করা হয়নি! এমন জিনিস ভবিষ্যতেও আপনার কাজে লাগার সম্ভাবনা কম। তা দোকানে ফেরত দিতে পারেন বা কিছু কম দামে বিক্রি করে দিতে পারেন।

৬) বাচ্চার পুরনো জিনিস

আপনার শিশু বড় হয়ে গেছে, এরপরেও তার একদম ছোটবেলার ফিডার, প্যাসিফায়ার রেখে দিয়েছেন? এগুলো জায়গা নষ্ট ছাড়া আর কিছুই করবে না। বাসা বদলানোর সময়ে এগুলো হয় অন্য কাউকে দিয়ে দিন বা ফেলে দিন।

৭) স্পঞ্জ ও ব্রাশ

স্পঞ্জ এমনিতেই কিছু দিন পর পর নতুন করে কিনতে হয়। বাসা বদলানোর পর নতুন একটা কিনে নিতেই পারেন। কিচেন সিঙ্ক পরিষ্কারের ব্রাশের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

সূত্র: প্রিয়.কম