fbpx
Trending

শুধু রান্না নয় জেনে নিন ৮ ধরনের রান্নার পদ্ধতি!

মজার রান্না ডেস্ক: জানেন কি কোন খাবার কীভাবে রান্না করে খাওয়া হচ্ছে সে ব্যাপারে আমাদের ভালোভাবে জানা উচিৎ। কারণ প্রতিটি রান্নার পদ্ধতি খাবারের উপর ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব ফেলে। রান্নার পদ্ধতির উপর খাদ্যের পুষ্টিগুণের তারতম্য হয়ে থাকে। আজ এমন আট ধরনের রান্নার পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন।

১. রোস্টিং বা ভাজা:

রোস্টিং একটি শুষ্ক রান্নার পদ্ধতি, উচ্চ তাপমাত্রায় দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করতে হয়। এর ফলে খাদ্যে ভিটামিন বি নষ্ট হয়ে যায়। এই রান্নার পদ্ধতিতে খাদ্যের অনন্য কোনো পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না তাই পদ্ধতি অনেকটা ভালো।

২. গ্রিলিং বা ঝলসানো:

এটি একটি শুষ্ক রান্না পদ্ধতি যেখানে সরাসরি আগুনের তাপ প্রয়োগ করা হয় যেহেতু রান্নার উচ্চ তাপমাত্রায় সম্পন্ন হয় এবং রান্নায় একটি ধোঁয়ার গন্ধ হয়ে তাই এটি পুরোপুরি নিরাপদ নয়। গ্রিলিং এ ধোঁয়া থেকে বলে এটা থেকে ক্যান্সার হতে পারে। আবার উচ্চ তাপে ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়।

৩. স্টির-ফ্রাইয়ং:

স্টির-ফ্রাইয়ং একটি সুস্থ উপায়ে রান্নার পদ্ধতি। এতে খাদ্যের গুনাগুণ বজায় থাকে। শুধু পার্থক্য হল এতে তাপমাত্রা বেশি হয়। এই পদ্ধতিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করতে হলে রান্নায় তেল কম ব্যবহার করতে হবে এবং বেশি তাপে অল্প সময়ে রান্না করতে হবে।

৪. বেকিং:

এটিও একটি শুষ্ক রান্নার পদ্ধতি। এতেও উচ্চ তাপমাত্রা ব্যবহার করা হয়। একটি সুস্থ উপায়ে রান্নার পদ্ধতি। রান্নার সময় সমান তাপে রান্না হয় বলে এর ভিটামিন সি নষ্ট হয় না।

৫. মাইক্রোওয়েভ বা বৈদ্যতিক তাপ:

হার্ভার্ড গবেষণায় প্রকাশ করে যে মাইক্রোওয়েভিনে রান্না করলে খাদ্যের গুনাগুন অক্ষুন্ন থাকে। কথাটি সত্য হলেও, খাবারকে ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিটের বেশি সময় ধরে মাইক্রোওয়েভে রান্না করবেন না। এবং প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করবেন না।

৬. ডুবো তেলে ভাজি:

এই পদ্ধতিতে রান্নায় খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে তুলে। এই পদ্ধতিতে রান্না করলে খাদ্যের সবদিকে এমনকি ভিতরে ও বাইরে সমানভাবে রান্না হয়। কিন্তু তেল অনেকটা ক্ষতি করে।

৭. স্টিম বা বাষ্প:

খাদ্যের গুণগত মান রক্ষার ক্ষেত্রে একটি সঠিক পদ্ধতি। এতে খাদ্যের পুষ্টির কোনো ক্ষতি হয় না।

৮. বয়েল বা সেদ্ধ করা:

কিছু শাকসবজি আছে যা পানিতে ভেজালে ভিটামিন হারিয়ে যায়। যেহেতু সবজি ভিটামিন সি এর একটি বড় উৎস তাই পানিতে ওই সবজির ভিটামিন সি এর একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। যদি ওই সবজি যে পানিতে সেদ্ধ করা হয় সে পানি তরকারিতে ব্যবহার করা হয় তবে অন্তত ৮০ শতাংশ পুষ্টিমান রক্ষা করা যায়।

সূত্র: পরিবর্তন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close