শুধু শাক হিসেবে রান্না:

বাজারে কেনা শাকগুলোর শুধু কচি ডগাটা বেছে নিতে হবে। হাতের মুঠোয় গোছা গোছা করে ধরে ধারালো বটিকতে কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে। যত ছোট কুচি হবে, খেতে ততই মজা হবে।

শাক কুচির সঙ্গে কাচামরিচ লম্বা ফালি করে নিতে হবে। পেয়াজ, রসুন কুচিও লাগবে পরিমান মতো। আর লাগবে সামান্য আদা কুচি। লাগবে পরিমানমতো লবণ।

এগুলো একসঙ্গে নিয়ে একটি পাত্রে হালকা সেদ্ধ করে নিতে হবে।

সেদ্ধ করার জন্য কোনো পানি লাগবে না। শাক একটু নেড়েচেড়ে সেদ্ধ করে নামিয়ে রাখতে হবে।

তারপর কড়াই কিংবা পাত্রে পরিমান মতো শর্ষে তেল কিংবা ঘি নিন। তাতে সামান্য শুকনো মরিচ কুচি, পেয়াজ ও রসুন কুচি হালকা ভেজে নিন।

এগুলো হালকা ভাজা হলে তাতে আগের সেদ্ধ শাকগুলো ঢেলে দিন।

তারপর ৫-১০ মিনিট নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। একটু খেয়ে দেখুন, স্বাদ ভালোই লাগবে।

তারপর ধোয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গে মাখিয়ে খান, মুখে স্বাদ লেগে থাকবে।

মাছের সঙ্গে রান্না:

শাকগুলো কুচি করে নিন।

তারপর স্বাভাবিক রেসিপিতে মাছ রান্না শুরু করুন, মাছ কষানো মাঝামাঝিপর্যায়ে এলে শাকগুলো তাতে ঢেলে দিন।

সাবধানে একটু নেড়ে নিন, যাতে মাছ ভেঙে না যায়। এরপর পরিমানমতো পানি দিন।

ঝোল কম রেখে রান্না শেষ করুন।

এই শাক দিয়ে মূলত শোল-গজার, টাকি, টেংরা, পুটি, বোয়াল, চিতল, পাঙ্গাস, রুই সব ধরনের মাছই রান্না করা যায়।

শীতের সকালে জমানো কলাই শাকে মাছের ঝোল কিন্তু খারাপ লাগবে না। একবার খেয়েই দেখুন।