সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখেন? এই কাজটি করবেন না মোটেও, সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে, অনেকদিন সতেজ থাকবে।কিছু খাবার একটু অন্যভাবে রাখে হয় ফ্রিজে, যেমন ধরুনঃ শাক কুটে রাখবেন,ধনে পাতা রাখবেন গোঁড়া সহ,শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা, বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।

ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না, বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না

মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য, তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।

আপনি জানেন কি, গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর-বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে? এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।

ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন,প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন,এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন,মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন,এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না,ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।

ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন, এটা মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।

মাছ ফ্রিজে রাখার রাখে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন,এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না, বেশ আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।

ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন,তারপর বাক্সতি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন,ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।

ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন,ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন।

কাঁচা মরিচের বোঁটা ফেলে সংরক্ষণ করুন।

মাছ, মাংস রান্না করার জন্য রেফ্রিজারেটর থেকে নামালে বরফ গলিয়ে বেশিক্ষণ বাইরে রাখা যাবে না। তাতে গরমে সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ফল যেটুকু খাওয়া হবে শুধু সেটুকুই কাটুন। বাড়তি থাকলে ফ্রিজে রেখে দিন।

যেকোনো রান্না করা খাবার এক বা দুই ঘণ্টার মধ্যে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এর আগেই সংরক্ষণ করুন।

রান্না করা খাবার আগে বাতাসে রেখে ঠান্ডা করে তারপর ফ্রিজে ওঠান।

যেকোনো খাবার ফ্রিজে রাখার সময় ঢাকনা ব্যবহার করুন।

অন্য খাবারের তুলনায় রান্না করা ডাল তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় তাই ডাল প্রয়োজনমতো রান্না করুন। খাওয়ার পর বাড়তি থেকে গেলে চুলায় কিংবা মাইক্রোওভেনে গরম করে নিন। এরপর ঠান্ডা করে সংরক্ষণ করুন।

রেফ্রিজারেটর না থাকলে বাড়তি খাবার জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করে জালি দিয়ে ঢেকে রেখে দিন।

পুরভরা যেকোনো খাবার তৈরির সময় পুরটুকু একটু ঠান্ডা করে তারপর ব্যবহার করুন।

ফ্রিজ থেকে বের করেই চুলায় খাবার গরম করতে দেবেন না। বাইরে একটু রেখে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসার পর খাবার গরম করুন।

খাবারে যেন হাতের স্পর্শ না লাগে। তাহলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সূত্র: চারপাশে