মজার রান্না ডেস্ক: এই সময়ে বাথরুম ও টয়লেট ভালোভাবে পরিষ্কার করাটা সবথেকে বেশি জরুরী। কিন্তু বাথরুম দায়সারাভাবে পরিষ্কার করেন অনেকেই। ফলে সেখানে বেশি বেশি জীবাণু বাসা বাঁধে। বাথরুম পরিষ্কারের সময়ে বেশকিছু জরুরী কাজ করতে ভুলে যান অনেকে। দেখে নিন, এই ভুলগুলো আপনিও করছেন না তো?

টয়লেট ভালোভাবে পরিষ্কার না করা: অনেকেই টয়লেটের ভেতরে হারপিক বা এ ধরণের ক্লিনার দিয়ে মেজে ফেলেন এবং আর কিছু করেন না। কিন্তু কমোডের বাইরের দিকটাও পরিষ্কার করতে হবে, যা অনেকেই করেন না। টয়লেটে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে ভেতরে-বাইরে ভালোভাবে হারপিক বা অন্য কোনো ক্লিনার দিয়ে মেজে নিন।

টয়লেট ব্রাশ শুকিয়ে নিন: টয়লেটে কমোডের পাশেই থাকে একটি টয়লেট ব্রাশ ও তার স্ট্যান্ড। কিন্তু টয়লেট পরিষ্কারের পর এই ব্রাশ না শুকিয়েই অনেকে স্ট্যান্ডে রেখে দেন। ফলে স্ট্যান্ডের ভেতরে ময়লা পানি জমে থাকে। টয়লেট পরিষ্কারের পর এই ব্রাশটাতে হাইড্রোজেন পারক্সাইড স্প্রে করুন। এরপর তা ঝুলিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে তা স্ট্যান্ডে রেখে দিন।

কর্নার পরিষ্কার করুন: বাথরুমের ভেতরে বিভিন্ন কর্নার ও খাঁজে জীবাণু লুকিয়ে থাকে। যেমন কলের গোড়া, বেসিনের ড্রেন বা জালি, টয়লেটের ও বেসিনের পেছন দিকটা। এ সব জায়গায় সহজে হাত যায় না বলে সেখানে ময়লা জমে। এসব জায়গায় একটি ব্রাশের সাহায্যে পরিষ্কার করে নিন।

টুথব্রাশ পাল্টান: টুথব্রাশ ভেজা থাকে বলে তাতে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। এছাড়াও এর ব্রিসল কয়েক মাসের মাঝেই নষ্ট হয়ে যায়। ২-৩ মাস পর পর টুথব্রাশ পাল্টান। এর আগেই টুথব্রাশের ব্রিসল নষ্ট হয়ে গেলে পাল্টে ফেলুন।

চিরুনি, চুলের ব্রাশ ও ক্লিপ পরিষ্কার করুন: অনেকদিন ধরে চিরুনি বা হেয়ার ব্রাশ ব্যবহার করা হলে তাতে চুল জমে যায়। অনেকে শুধু চুলটুকু খুলে নিয়ে ফেলে দেন। কিন্তু চিরুনি ও হেয়ার ব্রাশ সাবান দিয়ে ধুয়েও নিতে হয়। কারণ এতে মাথার তেল-ময়লা জমে যায়। কয়েক ফোঁটা শ্যাম্পু ও পুরনো একটা টুথব্রাশ দিয়ে ধুয়ে নিন এগুলোকে।

ফ্যান চালিয়ে দিন: বাথরুমে এক্সহস্ট ফ্যান থাকলে গোসলের সময়ে তা চালিয়ে দিন। এতে আর্দ্র বাতাসটা বের হয়ে যাবে, বাথরুমে জীবাণু কম হবে। ফ্যান না থাকলে গোসলের পর জানালা খুলে দিন।

পরিষ্কারের উপাদানগুলো পরিষ্কার করুন: বাথরুম পরিষ্কারের ব্রাশ, ন্যাকড়া, স্পঞ্জ এগুলো কি পরিষ্কার করছেন? নাকি এগুলো দিনের পর দিন ময়লা রয়ে যাচ্ছে? এগুলো পরিষ্কার না করলে কিন্তু বাথরুমটাও জীবাণুমুক্ত হবে না। এগুলোকে নিয়মিত পরিষ্কার করে নিন। ব্লিচ ব্যবহার করতে পারেন।