প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানে সমৃদ্ধ আমড়ার বাহার | Mojar Ranna প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানে সমৃদ্ধ আমড়ার বাহার | Mojar Ranna

প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানে সমৃদ্ধ আমড়ার বাহার

;
  • প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০১৯, ৪:০২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ বছর আগে

মজার রান্না ডেস্ক: সময় চলে এসেছে আমড়ার। এই ফলটি তার সহজলভ্যতা ও কচমচে স্বাদের জন্য খুব সহজেই সকলের মনে স্থান করে নিতে পেরেছে। বর্ষাকাল হচ্ছে আমড়া ফলের শ্রেষ্ঠ সময়। কারণ এ সময়েই এই ফল বাজারে আসা শুরু করে। সাধারণ ফল বিক্রেতাদের কাছে তো বটেই, ভ্রাম্যমাণ ফল ও আচার বিক্রেতাদের কাছেও মেলে এই ফল।

পরিপক্ব কিন্তু কাঁচা আমড়াই ফল হিসেবে সবাই বেশি ভালোবাসে। কারণ পেকে গেলে এর কচকচে ভাবটা কমে যায়। আমড়া লবণ-মরিচের গুঁড়ো দিয়ে মেখে খেতে খুবই চমত্‍কার লাগে। আমড়া ফল হিসেবে তো বটেই আচার বানিয়েও খাওয়া যায়। এছাড়াও আমড়া দিয়ে চাটনি, ভর্তা, তরকারি ইত্যাদিও তৈরি করা হয়। আমড়ার ইংরেজি নাম Hog Plum। তবে কোথাও কোথাও একে Golden apple বা Tahitian apple নামেও ডাকা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Spondias pinnaata Kurz বা Spondias mombin। আমড়ার আদি নিবাস আমেরিকার বিষুব অঞ্চলে। অনেকেরই ধারণা আমড়ার উত্‍পত্তিস্থল ওয়েস্ট ইন্ডিজে। তবে আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়াতেও প্রচুর পরিমাণে আমড়া জন্মে। আমড়াগাছ মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষ। উচ্চতায় প্রায় ২০-৩০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। গাছ লাগানোর ৫-৭ বছরের মধ্যেই গাছে ফল ধরে। ফলের স্বাদ কাঁচা অবস্থায় টক, তবে পাকলে মিষ্টিভাব চলে আসে। ফল পাওয়া যায় জুনের শেষ থেকে শুরু করে অক্টোবর পর্যন্ত। আমড়া নানান পুষ্টিগুণে ভরপুর। আমড়ার প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে রয়েছে – খাদ্যশক্তি- ৪৬ কিলোক্যালরি আমিষ- ০.২ গ্রাম চর্বি- ০.১ গ্রাম শর্করা- ১২.৪ গ্রাম ক্যালসিয়াম- ৫৬ মিলিগ্রাম ফসফরাস- ৬৭ মিলিগ্রাম আয়রন- ০.৩ মিলিগ্রাম ক্যারোটিন- ২০৫ আইইউ থায়ামিন- ০.০৫ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেভিন- ০.০২ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি- ৩৬ মিলিগ্রাম

প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানে সমৃদ্ধ আমড়া আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকার সাধন করে। যেমন –

আমড়া রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। স্ট্রোক ও হৃদরোধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম। মাঢ়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে আমড়া সাহায্য করে।

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।

খিঁচুনি, পিত্ত ও কফ নাশক হিসেবে আমড়ার ব্যবহার রয়েছে।

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

অরুচি ও শরীরের অতিরিক্ত উত্তাপকে নিষ্কাশনে সাহায্য করে আমড়া।

ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখে আমড়ার গুণাগুণ। ত্বকের নানা রোগও প্রতিরোধ করে। সূত্র: প্রিয়.কম

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : আয়ান আইটি