ভোজনরসিকদের যে ১০ খাবার একবার হলেও খাওয়া উচিত - Mojar Ranna ভোজনরসিকদের যে ১০ খাবার একবার হলেও খাওয়া উচিত - Mojar Ranna

ভোজনরসিকদের যে ১০ খাবার একবার হলেও খাওয়া উচিত

;
  • প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১১:০৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩ বছর আগে

মজার রান্না ডেস্ক: ভোজনবিলাসীদের জন্য ওয়ান্ডার ওয়ার্ল্ড নামের একটি ওয়েবসাইট দিয়েছে বিশ্বের সেরা ১০ খাবারের তালিকা। মিলিয়ে দেখুন তো আপনি খেয়েছেন কিনা!

১। পেকিং ডাক- চীনের এই খাবারটি আস্ত হাঁসের রোস্ট। বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা এই রোস্টটি উপরে বেশ মুচমুচে হয় আর ভেতরে মাংস থাকে নরম্ ও রসালো। এটি না খেলেই নাকি নয়

২। এসকারগটস- ফ্রান্সের এই খাবারটি আগাগোড়া শামুক। প্রথমেই শামুকটিকে লবণ পানিতে ভিজিয়ে মেরে ফেলে গার্লিক বাটার ও চিকেন স্টক দিয়ে ভালো করে রান্না করে শামুকের খোসায় পুরে দিতে হবে। এরপর এটিকে বেক করবেন দীর্ঘ সময় ধরে। তৈরি হয়ে গেল মজাদার এসকারগটস।

৩। দোসা- প্রতিবেশি দেশ ভারতের এই খাবারটি আমাদের দেশেও বেশ জনপ্রিয়। এই কলাইয়ের ডাল আর চাল দিয়ে তৈরি রুটির মতো এই খাবারটি বিশ্ব ভোজনরসিকদেরও মন কেঁড়ে নিয়েছে।

৪। বার্বিকিউ রিবস- খাসির সিনাকে ইচ্ছামতো টমেটো সস ও মশলা দিয়ে ঝলসানো এই খাবারটি আমেরিকার খাবার। রিবস বা সিনাকে আস্ত রেখে তৈরি এই খাবারটির ছবি দেখলেই জিভে জল আসবে নিশ্চিত।

৫। পাভলোভা – অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের খাবার এটি। মেরাং দিয়ে তৈরি হওয়া এই খাবারটি ভীষণ ক্রিমি। এর সঙ্গে থাকে নানা ফল। এটি মূলত ডেজার্ট। শেষ পাতে দইয়ের মতো শেষ পাতে পাভলোভা চাই চাই।

৬। জুকিনি বা কুমড়ো ফুলের বড়া- জুকিনি বড়ার চেহারা দেখে কুমড়ো ফুলের বড়া বলেই চিৎকার করে উঠবেন নিশ্চিত। একই জিনিস। তালিকা তৈরিকারীরা জানতেনই না আমরা কুমড়ো ফুল একইভাবে ভেজে খাই।

৭। মুসাকা- বেগুন ও মাংসের কিমা দিয়ে তৈরি এই অসাধারণ খাবারটি নিয়ে কোনও কথা হবে না। বাটিতে বেগুন, মশলা দিয়ে রান্না করা কিমা, স্তরে স্তরে সাজিয়ে আচ্ছামতো চিজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এরপর বেক করুন। ব্যাস হয়ে গেল মুসাকা। মুখে দিয়েই দেখুন না।

৮। লাকসা- মালোয়েশিয়ার সিফুড কারি লাকসা হচ্ছে ঝোলে ঝালে মাছ। চিংড়িসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ দিয়ে ক্রিমি ঝোল তৈরি করে বানানো হয় ঐতিহ্যবাহী এই খাবারটি। দেশে মালোয়েশিয়ান রেস্তোরাঁতে ঢুঁ মারতে পারেন।

৯। টেপানিয়াকি- এটি খাবার নয়, খাবার রান্নার স্টাইল। জাপানে যে কোনও বার্বিকিউ, গ্রিল এভাবে লোহার তাওয়াতে উচ্চ তাপে মুচমুচে করে রান্না করা হয়। চিংড়ি থেকে শুরু করে মাছ, মুরগী সবই মুচমুচে করে ভেজে ডিপিং সসে চুবিয়ে খাবেন।

১০। সমতাম বা পেঁপের সালাদ- থাইল্যান্ডের হাটে, ঘাটে, মাঠে সব জায়গায় আপনি এই খাবার পাবেন। পেপে কুচি কুচি করে তাতে বাদাম, মরিচ, চিনি, লবণ ভিনেগার দিয়ে আচ্ছামতো মেখে তৈরি করতে হয় এই সালাদ। অনেকটা কাঁচা আমের সালাদের মতো। সবাই বলে থাইল্যান্ডের রাস্তা থেকে না খেলে নাকি এটার আসল স্বাদই পাওয়া যায় না।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : আয়ান আইটি